View Sidebar

স্বাগতম!

এসএসসি পাশ করবার পর থেকেই কম্পিউটার ভুত মাথায় চাপে। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত চেষ্টা করেছি তথ্য প্রযুক্তির সাথে থাকতে। চেষ্টা করেছি অনেক কিছুই করতে। কিন্তু সফলতা এখনো পাইনি। তবে লেগে আছি সফলতা হয়ত একসময় আসবে। ব্যার্থতা আর ভুল আছে প্রচুর। তারপরেও হাল ছেড়ে দেইনি। সব ভুল আর ব্যার্থতাগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে চাই। তথ্য প্রযুক্তির পাশাপাশি আগ্রহ আছে রাজনীতিতেও।
রাজীব হায়দারের জানাজা এবং নাস্তিকতা!

রাজীব হায়দারের জানাজা এবং নাস্তিকতা!

Photo: Redtimesbd

ছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি, মুরুব্বীরা বলতেন “তার জীবনের শেষ ইচ্ছে হচ্ছে, জানাজায় হাজারো লোক শরিক হবে। বেশী লোক জানাজায় অংশগ্রহন করলে আল্লাহ বেহেশত নসিব করবেন”। জানিনা একথাটা কতটুকু সত্য তবে, রাজীবের জানাজায় লাখো লোকের অংশগ্রহন দেখে ইচ্ছে জাগে আমারো মৃত্যুর পর যেন এরকম লাখো মানুষের ঢল নামে।

রাজীবের মৃত্যু স্বার্থক। রাজীব ইতহাসের অংশ। রাজীব প্রজন্ম চত্বরে জ্বলে ওঠা অংগ্নী স্ফুলিঙ্গের প্রথম বীর শহীদ। মুরুব্বীদের কথা অনুযায়ী রাজীব বেহেশতের দাবীদার। কোন এক ফারাবী বলেছে রাজীবের জানাজার ইমামকে হত্যা করা হবে। তাহলে সেই ইমামও জান্নাতী হবেন নিঃসন্দেহে। ইসলাম নিয়া এদের ঠিকাদারী দেখলে অবাক লাগে। শুনেছি কোন মুসলিম ব্যক্তি কাউকে কাফের বা নাস্তিক বলতে পারে না। কারন সে জানে না আসলে সে কাফের বা নাস্তিক কিনা। কিন্তু আমাদের দেশে এই নাস্তিক/মুরতাদ/কাফের বানানোর অপচেষ্টা নতুন নয়। যে কোন জনপ্রিয় আন্দলোন বা ব্যক্তিকে বিতর্কিত করতে এই শব্দগুলো বহু যূগ ধরে ব্যবহার করে আসছে।

জামায়াতে ইসলামী এই বিষয়গুলোয় সিদ্ধ হস্ত। তারাই এই নাস্তিক-মুরতাদ শব্দের প্রচলন ঘটিয়েছে বাংলার মুসলিম সমাজে। পাকিস্তান আমলে অধ্যাপক শাহেদ আলী’র “জীব্রিলের ডানা” বইটি প্রকাশিত হলে এই জামাতীরাই তখন তাকে নাস্তিক-মুরতাদ বলে ফাঁসি চেয়েছিল আবার এই জামাতীরাই তাকে নিয়ে পরবর্তীতে নাচানাচি করেছে ইসলামী ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার দিয়েছে। ভাষাবিদ ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এর বিরুদ্ধেও এরা নাস্তিক বলে অপপ্রচার চালিয়েছিল।

এই তথাকথিত মৌলবী-মোল্লাদের কথা বিশ্বাস করার কোন যুক্তি আছে বলে আমার মনে হয় না। এরা এদের প্রয়োজনে কখনো কাউকে মুরতাদ-নাস্তিক বলবে আবার সময়ে এদের কোলে তুলে নাচবে।

তাই যে ইমাম সাহেব রাজীবের জানাজা পড়িয়েছেন তিনি সঠিক কাজ করেছেন বলেই আমার বিশ্বাস এবং তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ যে তিনি মোল্লাদের পথে হাটেননি। রাজীবের ছোট মামা আলমগীর হায়দার ভাই আমার খুব কাছের একজন মানুষ। আমি দেখেছি তিনি কি রকম আল্লাহ ভক্ত লোক। রাজীবের হত্যাকান্ড এবং তাকে নিয়ে বিতর্কে শুধু তিনিই নন তার পরিবারের সবাই খুবই মর্মাহত। আমি শুধু এইটুকু বলতে পারি, প্রজন্ম চত্বর রাজীবের হত্যার প্রতিশোধ না নিয়ে ঘরে ফিরবে না।

রাজীব তুমি শান্তিতে ঘুমাও। তোমার রক্ত ভেজা মাটিতে হাজারো রাজীবের জন্ম হয়েছে। তারা তোমার দেখিয়ে দেয়া পথেই হেটে যাবে।

February 19, 20130 commentsRead More
কিছু কথা না বললেই নয়

কিছু কথা না বললেই নয়

১. দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ (হাদসি)। যারা এটা মানেননি তারা কিভাবে ঈমানদার হয়? রাজাকার-আলবদর-আলশামস এরা কেউ ঈমানদার নয়।

২. জামাতীরা “নবীজী’র ইসলাম” মানে না তারা “মওদুদী ইসলাম” এর অনুসারী। নবীজী (সাঃ) এর হাদিস “যারা আমার সাহাবী’র সমালোচনা করে, তাদের উপর আল্লাহর লানত”। জামাতীদের বিভিন্ন প্রকাশনায় আছে যে তারা যে কারও সমালোচনা করতে পারবে, এমনকি সাহাবীদের ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা করা যায় বলে জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদূদী’র মত। তারমানে রাসূল (সাঃ) এর কথা তারা মানেননা। এটাই প্রমানীত হয় তাদের উপর আল্লাহর লানত। তাই যারা রাসূল (সাঃ) এর হাদীস মানে না তারা বাতিল, তারা ইসলাম পক্ষের লোক নয়।

৩. সাহাবীদের সমালোচনা করার অভিপ্রায়টা কি সুস্পষ্ট নয়, যে তারা (জামায়াতে ইসলাম) ইসলামকে বিতকৃত করতে চায়। কারণ ইসলাম রাসূল (সাঃ)এর পর সাহাবীদের মাধ্যমেই আমাদের কাছ পর্যন্ত এসেছে। তাই সাহাবীদের বিতর্কিত করা মানে ইসলামকে বিতর্কিত করা।

৪. রাসূল (সাঃ) এর সময়কার অথবা এর পরবর্তী সময়ে ইসলামী ইতিহাসে কোন যুদ্ধে ধর্ষন, লুন্ঠন বা নির্বিচারে হত্যাকান্ডের নজির নেই যা পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের দোসররা করেছে এ দেশে। তাহলে সেই সেনাবাহিনী কি করে ইসলামী আদর্শের সেনাবাহিনী হয়। এছাড়া তাদের ইতিহাস ঘাটলেই দেখা যায় পাক সেনাবাহিনী সবসময় ইসলাম কে ব্যবহার করেছে রাজনীতির জন্য, তাদের জীবনাচারে কোথাও ইসলামী জীবন এর নমুনা পাওয়া যায়নি। পাক সেনাবাহিনীর এ দেশীয় দোসররা গনিমতে’র মাল বলে শুধু সঙ্খ্যালঘুদেরই না মুসলিম মহিলাদের পাক সেনাদের হাতে তুলে দিয়েছে। অথচ এই গনিমতের মাল নিয়ে হাদিসে এবং কোরানে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে- যে কোন বন্দী’র উপর অত্যাচার, ধর্ষন করা যাবে না। যা এই রাজাকার’রা কখনি পালন করেনি। তাহলে কিভাবে তারা ইসলামের অনুসারী হয়? ইসলাম কোনদিনও কোন নারীর উপর অত্যাচার এর অনুমতি দেয়নি।

৫. মওদুদী ইসলাম বৃটিশ রাজ সৃষ্ট ইসলাম, যা মুসলমানদের বিভ্রান্ত করবার জন্য তৈরি। এই উপমহাদেশের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় আলেম-ওলামা’রা অসঙ্খ্যবার মওদূদী’র ফাঁসি দাবী করেছিলেন।

৬. আজকে যে কথা বলা হচ্ছে যে গণজাগরণ ইসলামের বিপক্ষে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। জামাতী’রা বা মওদূদীরা সারাজীবন ইসলামকে ব্যবহার করে এসেছে নিজেদের স্বার্থে এবং মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করবার চেষ্টা করেছে।

৭. গণজাগরণ ইসলামের বিপক্ষে নয় অথবা ইসলামী দলের বিরুদ্ধেও নয়। এ গণজাগরণ মিথ্যা, অন্যায় এবং বাতিলের বিরুদ্ধে।

৮. রাসূল (সাঃ) কে অমান্য কারী মওদূদী ইসলাম নিষিদ্ধ করা হোক, সেটা সবার কাম্য।

৯. নতুন প্রজন্মের শিবির কর্মীদের বলছি আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না, মুষ্টিমেয় লোকের মিথ্যায় বাতিলের পথে হাটবেন না। আপনারা ফিরে আসুন এবং আপনাদের স্লোগান নির্ধারন করুন “মওদূদী ইসলাম-বাতিল ইসলাম, সৎ সত্যবাদী নেতা চাই, জামায়াতে ইসলামীতে আমি নাই, যুদ্ধাপরাধী, রাসূল (সাঃ) নির্দেশ অমান্যকারীদের ফাসিঁ চাই”।

১০. এই আন্দোলন ১১ হাজার চিহ্নিত রাজাকারের বিচারের দাবীতে, শুধু মাত্র কয়েকজন নয়।

February 15, 20130 commentsRead More
আমি নিজেকেই ধিক্কার জানাই!!

আমি নিজেকেই ধিক্কার জানাই!!

Tazreenতেলে মাথায় ঢালো তেল শুকনা মাথায় ভাঙ্গো বেল!! কবে যেন পড়েছিলাম ঠিক মনে নেই- “Creative Capitalism” সম্পর্কে। ক্যাপিটালিজমের ব্যর্থতার কারণে ক্রিয়েটিভ ক্যাপিটালিজম এর আমদানি করার চেষ্টা। বাংলাদেশ হতে পারে এই ক্রিয়েটিভ ক্যাপিটালিজমের উৎকৃষ্ট উদাহরন।

গার্মেন্টস ট্রাজেডির কারণে প্রধানমন্ত্রী শোক দিবসের ঘোষণা দিয়েছেন। শোক দিবসের অভাব নেই আমাদের এই বাংলাদেশে। আর এই গার্মেন্টস ট্রাজেডির ঘটনা ঠিক কতগুলো আমাদের সরকার প্রধানের কি হিসেব আছে? হয়ত তাকে কাউকে জিজ্ঞেস করে যেনে নিতে হবে। শোক দিবস পাচ্ছি কিন্তু আর যেন শোক এর ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে কেন কোন ঘোষনা পাইনা?

সরকার হয়ত ভাবে অতিরিক্ত জনসংখ্যার এই দেশে কয়েকজন মরলেই বা কি আসে যায়? লাশ নিয়ে সওদাটা ভালই হয়। ১১৬ জন মরছে কালকে-১১,৬০০ (এগারো হাজার ছয়শ) জন্ম নিছে। যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক তাদের কাছে এটা মাত্র সংখ্যা মানুষ নয়।

আমার ভাবনায় একটা সহজ হিসাব- যার একটা গাড়ি আছে (ন্যুনতম ১৩ লাখ) সেই মোটামুটি ধনীর কাতারে পরেন। আর যার গাড়ির দাম ৫০ লাখ থেকে উপরে সে হল বেসম্ভব ধণী। আমাদের লজ্জা নেই।  ব্যাবসায়ী সংগঠন গুলোতে সরকারের ইচ্ছায় কমিটি আসে। আর এই কমিটি সরকারের সুযোগ নিয়ে ফুলে ফেঁপে উঠে। এত শ্রেণী বৈষম্য যে লুকিয়ে রাখাও অসম্ভব। কিছুদিন আগে সরকার প্রধান যুবকদের বলেছেন আত্মকর্মসংস্থান তথা উদ্যোক্তা হবার জন্য। উনি কি জানেন কর্মসংস্থান ব্যাংক শুধু দলীয় লোকদের ঋন দেয়? অন্য ব্যাংকে যাবারতো প্রশ্নই আসে না। ব্যাবসায়ীরাই ব্যাংক এর মালিক তাদের মুনাফা দরকার, তারা ঋন দেবেন তাদের, যাদের আছে।

একসময় বিটিভি তে যেসব নাটক দেখাত তার সবই ছিল মধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষ নিয়ে। এখন আর মধ্যবিত্ত শ্রেণী দেখা যায় না। টিভিতে এখন ধণী আর গ্রাম কেন্দ্রিক হাস্যকর নাটক দেখায়। এর মানে মধ্যবিত্তরা হারিয়ে যাচ্ছে। যারা একসময় পরিবর্তনের নিয়ামক শক্তি ছিল।

কিছুদিন আগে আমাদেরই এক আইটি ব্যবসায়ী বন্ধু বলছিলেন- আইটি ব্যাবসা দিয়ে টাকা হবে না, যদিনা সরকারি কাজ পাই। টাকা বানাতে হলে সরকারি কাজ চাই, অথবা সরকারের নেক নজরে থাকা চাই। ধণী ব্যাবসায়িরা দল ও সরকারকে টাকা দেয় ব্যাবসা পাবার জন্য। আর সরকার গুটিকয়েক ব্যবসায়ীদের সুযোগ দেয় টাকা পাবার আশায়। কে কার ক্রীতদাস?

গার্মেন্টস ট্রাজেডির কারনে ধিক্কার বন্যা বইছে। সরকারকে সবাই ধিক্কার জানাচ্ছে। সরকার প্রধানকে ধিক্কার জানাচ্ছে।

আমি শুধু নিজেকেই ধিক্কার জানাই। ধিক্কার আমারই প্রাপ্য। অন্য কেউ নয়।

কারন আগামীকাল অথবা তারপরদিন আমিও ঠিক ভুলে যাব গার্মেন্টস ট্রাজেডির কথা। যেমন ভুলে গেছি আগের ঘটনাগুলো। আবার আমি ভোট দিব আওয়ামী লীগ বা বিএনপিকে। আবার আমি গালি দিব, আবার হাসিনা জিন্দাবাদ-খালেদা জিন্দবাদ বলে শ্লোগান দিব।

আমি হতাশ।

November 27, 20120 commentsRead More
আমাদের প্রধানমন্ত্রী

আমাদের প্রধানমন্ত্রী

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ের পেছনে কাজ করেছিল ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদের চারদলীয় জোট সরকারের পাঁচ বছরের দুঃশাসন এবং জামাত তোষন। একই সাথে তরুন প্রজন্মকে আকৃষ্ট করার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ ও যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের আশ্বাস। এই বিজয়ের পর প্রত্যাশিত ছিল যে আওয়ামী সরকার প্রতুশ্রুতি বাস্তবায়নে গতিশীল হবে। কিন্তু চিত্রটি বর্তমানে সম্পূর্ণ বিপরীত। যেই লাউ সেই কদু। নতুন বোতলে মোড়ানো পুরানো বস্তা পঁচা মাল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অনেক আত্ম-অহমিকা এবং আত্ম-তুষ্টিতে ভোগেন, যে কত কিছু করে ফেলেছি। চাটুকারদের কারনে বঙ্গবন্ধুকে জীবন দিতে হয়েছে। আর এখনকার চাটুকারদের কারণে দেশের সাধারণ মানুষকে জীবণ দিতে হচ্ছে। তিনি মনে হয় না এই তোষামদকারীদের কোনদিনই দূরে সরাতে পারবেন। তোষামদীর উজ্জ্বল উদাহরন হচ্ছে তার পুরস্কার সমূহ। চাটুকারদের দেয়া তথ্যে তিনি বেশ ভালই থাকেন, দেশ কেন দিকে গেল তা খোঁজ নেবার সময় কই।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা, গণতন্ত্রের মানস কন্যা……………ব্লাহ ব্লাহ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মানবাধিকার, আইন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য বিভিন্ন ডিগ্রী অর্জন করেছেন এবং পুরস্কার পেয়েছেন। স্বভাবতই সবাই আশা করেছিল আর যাই হোক কাজ তিনি এবার করবেন। তিনি না করেও পুরস্কার পেয়েছেন এবার করে আরো পুরস্কার ও ডিগ্রী ঘরে তুলবেন। আশা আশাই থেকে গেছে। ফিরিস্তি দেবার প্রয়োজন নেই। বিচার বহির্ভূত হত্যকান্ড, ছাত্রলীগের দ্বারা হত্যাকান্ড এবং অশান্তি কি পরিমান বিরাজমান এই দেশে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

১।তিনি আইন প্রতিষ্ঠার কথা বলেন কিন্তু দেশে কি আইন আছে? আইন বহির্ভূত হত্যকান্ড কি বন্ধ হয়েছে? আইনের শাসন কি দেশে আছে? ( পেয়েছেন ডক্টর অব ল’ডিগ্রী বোষ্টন ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র- ১৯৯৭, ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটি, জাপান- ১৯৯৭, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া- ১৯৯৯ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ- ১৯৯৯ থেকে।)

২। তিনি ধর্মীয় সম্প্রিতীর কথা বলেন এবং তার আদরের সন্তানেরা ধর্মীয় সঙ্খ্যালঘুদের জায়গা-সম্পত্তি দখল করেন এবং ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। উনি কন্ট্রোল করতে পারেন না।  (পুরস্কার পেয়েছেন মাদার তেরেসা পদক, সর্বভারতীয় শান্তিসংঘ- ১৯৯৮ এবং গান্ধী পদক -তৃণমূল পর্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রসারে জন্য, গান্ধী ফাউন্ডেশন, নরওয়ে- ১৯৯৮)

৩। এছাড়া দেশ ও সমাজে শান্তি ও গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি আরো বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন।

এত কাজ এত পুরস্কার তারপরেও তার সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন, স্বৈরাচারী মনোভাব এবং অশান্তির দেশ বাংলাদেশ। হায়রে পদক এবং ডিগ্রী লোভী প্রধানমন্ত্রী অথবা জননেত্রী আপনার নূন্যতম লজ্জাবোধ থাকা উচিত ছিল। শুধু পদক আর ডিগ্রী দেখিয়ে মানুষকে বোকা বানিয়ে রাখা যায় না। পদক আর ডিগ্রী যেহেতু নিলেনই তখন তা বাস্তবায়ন করে এগুলোর মর্যাদা রাখতেন এবং নিজেও আরো সম্মানিত হতেন। গোলাপীদের মত গোলাপী বেগমের সাথে ঝগড়া করলেই দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে আর মানবাধিকার ঠিক থাকবে না। আপনি কোন পথে হাটছেন তা কি ভেবে দেখেছেন। আপনি নির্বাচনের আগে ইশ্তেহারে বহুত কথা কইছিলেন একবার কি সেগুলো উলটে দেখবেন????

September 3, 20120 commentsRead More
গনধর্ষনের রাজনীতি

গনধর্ষনের রাজনীতি

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসেছে প্রায় চার বছর। অব্যবস্থাপনা আর স্বমনয়হীনতার উৎকৃষ্ট উদাহরন এই আওয়ামী লীগ সরকার। স্বৈরাচারী কায়দায় নিজেদের টিকিয়ে রাখার স্বার্থে যে তত্তাবধায়ক সরকারের দাবী নিয়ে তারা ৯৪-৯৫ সালে দেশ অচল করে দিয়েছিল, সেই ত্বত্তাবধায়ক সরকার বাতিল করল। এ যেন সরকার সরকার খেলা। বলার অপেক্ষা রাখে না যে ২৬৪ বছরের পরাধীনতা কালীন যে খারপ বিষয়গুলো ছিল তা আয়ত্ব করেছে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো। তারা জনগনকে গিনিপিগ হিসেবে ব্যবহার করছে। যা করেছিল ব্রিটিশ ও পাকিস্তানী সরকার।

১৯৯১ সালে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবার পরেও মানুষ গনতন্ত্র পেল না। স্বৈরাচারী মনোভাব না থাকলে যেন সরকার চালানো যায় না। আমি কার মেয়ে আর আমি কার বিবি এ বিষয়ে যদি কারো দ্বিমত থাকে তাহলে তার খবর আছে। রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় রাজতন্ত্রের লালন। শেক্সপিয়ারের ঐ রোমিও জুলিয়েটের কথা মনে আছে? দুই পরিবারের মারা-মারি কাটা-কাটিতে অস্থির ছিল শহরের মানুষ। বাংলাদেশের মানুষও আজ দুই পরিবারের গণধর্ষনে অস্থির।

স্বৈরাচার এর পতনের পর মানুষের যে আশা ছিল সেটা আশাই রয়ে গেল। যেমনটি স্বাধীনতার সময় যে স্বপ্ন ছিল তা স্বপ্নই রয়ে গেল। ৪০ বছর মানুষ আওয়ামী লীগের রাজনীতি দেখেছে, ৩৫ বছর দেখেছে বিএনপি এর রাজনীতি। মুক্তিযুদ্ধকে বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধর্ষন করতে কারো এতটুকু গায়ে লাগে নাই। জামাত-শিবির কে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করবার জন্য দুটো বড় রাজনৈতিক দলই এজেন্সি নিয়েছে। একজন কোলে বসিয়ে আরেকজন পাশে রেখে। বাম দলগুলোও লেজুড়বৃত্তি করে করে আজ ক্ষয়িষ্ণু। কুকুরেরে গলার বেল্ট এর শেষ মাথা যেমন মালিকের হাতে থাকে তেমন বাম দলের গলার বেল্ট এর শেষ মাথাও থাকে সরকারী দলের হাতে।

আমাদের রাজনীতি মানে হচ্ছে কে কত বেশী (জনগনকে) গণধর্ষন করতে পারে। ধর্ষকদের লিডার হল যে সরকারে থাকে সে।

September 1, 20120 commentsRead More