View Sidebar
গনধর্ষনের রাজনীতি

গনধর্ষনের রাজনীতি

September 1, 2012 1:28 am0 comments

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসেছে প্রায় চার বছর। অব্যবস্থাপনা আর স্বমনয়হীনতার উৎকৃষ্ট উদাহরন এই আওয়ামী লীগ সরকার। স্বৈরাচারী কায়দায় নিজেদের টিকিয়ে রাখার স্বার্থে যে তত্তাবধায়ক সরকারের দাবী নিয়ে তারা ৯৪-৯৫ সালে দেশ অচল করে দিয়েছিল, সেই ত্বত্তাবধায়ক সরকার বাতিল করল। এ যেন সরকার সরকার খেলা। বলার অপেক্ষা রাখে না যে ২৬৪ বছরের পরাধীনতা কালীন যে খারপ বিষয়গুলো ছিল তা আয়ত্ব করেছে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো। তারা জনগনকে গিনিপিগ হিসেবে ব্যবহার করছে। যা করেছিল ব্রিটিশ ও পাকিস্তানী সরকার।

১৯৯১ সালে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবার পরেও মানুষ গনতন্ত্র পেল না। স্বৈরাচারী মনোভাব না থাকলে যেন সরকার চালানো যায় না। আমি কার মেয়ে আর আমি কার বিবি এ বিষয়ে যদি কারো দ্বিমত থাকে তাহলে তার খবর আছে। রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় রাজতন্ত্রের লালন। শেক্সপিয়ারের ঐ রোমিও জুলিয়েটের কথা মনে আছে? দুই পরিবারের মারা-মারি কাটা-কাটিতে অস্থির ছিল শহরের মানুষ। বাংলাদেশের মানুষও আজ দুই পরিবারের গণধর্ষনে অস্থির।

স্বৈরাচার এর পতনের পর মানুষের যে আশা ছিল সেটা আশাই রয়ে গেল। যেমনটি স্বাধীনতার সময় যে স্বপ্ন ছিল তা স্বপ্নই রয়ে গেল। ৪০ বছর মানুষ আওয়ামী লীগের রাজনীতি দেখেছে, ৩৫ বছর দেখেছে বিএনপি এর রাজনীতি। মুক্তিযুদ্ধকে বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধর্ষন করতে কারো এতটুকু গায়ে লাগে নাই। জামাত-শিবির কে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করবার জন্য দুটো বড় রাজনৈতিক দলই এজেন্সি নিয়েছে। একজন কোলে বসিয়ে আরেকজন পাশে রেখে। বাম দলগুলোও লেজুড়বৃত্তি করে করে আজ ক্ষয়িষ্ণু। কুকুরেরে গলার বেল্ট এর শেষ মাথা যেমন মালিকের হাতে থাকে তেমন বাম দলের গলার বেল্ট এর শেষ মাথাও থাকে সরকারী দলের হাতে।

আমাদের রাজনীতি মানে হচ্ছে কে কত বেশী (জনগনকে) গণধর্ষন করতে পারে। ধর্ষকদের লিডার হল যে সরকারে থাকে সে।

Leave a reply