View Sidebar
কিছু কথা না বললেই নয়

কিছু কথা না বললেই নয়

February 15, 2013 10:00 am0 comments

১. দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ (হাদসি)। যারা এটা মানেননি তারা কিভাবে ঈমানদার হয়? রাজাকার-আলবদর-আলশামস এরা কেউ ঈমানদার নয়।

২. জামাতীরা “নবীজী’র ইসলাম” মানে না তারা “মওদুদী ইসলাম” এর অনুসারী। নবীজী (সাঃ) এর হাদিস “যারা আমার সাহাবী’র সমালোচনা করে, তাদের উপর আল্লাহর লানত”। জামাতীদের বিভিন্ন প্রকাশনায় আছে যে তারা যে কারও সমালোচনা করতে পারবে, এমনকি সাহাবীদের ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা করা যায় বলে জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদূদী’র মত। তারমানে রাসূল (সাঃ) এর কথা তারা মানেননা। এটাই প্রমানীত হয় তাদের উপর আল্লাহর লানত। তাই যারা রাসূল (সাঃ) এর হাদীস মানে না তারা বাতিল, তারা ইসলাম পক্ষের লোক নয়।

৩. সাহাবীদের সমালোচনা করার অভিপ্রায়টা কি সুস্পষ্ট নয়, যে তারা (জামায়াতে ইসলাম) ইসলামকে বিতকৃত করতে চায়। কারণ ইসলাম রাসূল (সাঃ)এর পর সাহাবীদের মাধ্যমেই আমাদের কাছ পর্যন্ত এসেছে। তাই সাহাবীদের বিতর্কিত করা মানে ইসলামকে বিতর্কিত করা।

৪. রাসূল (সাঃ) এর সময়কার অথবা এর পরবর্তী সময়ে ইসলামী ইতিহাসে কোন যুদ্ধে ধর্ষন, লুন্ঠন বা নির্বিচারে হত্যাকান্ডের নজির নেই যা পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের দোসররা করেছে এ দেশে। তাহলে সেই সেনাবাহিনী কি করে ইসলামী আদর্শের সেনাবাহিনী হয়। এছাড়া তাদের ইতিহাস ঘাটলেই দেখা যায় পাক সেনাবাহিনী সবসময় ইসলাম কে ব্যবহার করেছে রাজনীতির জন্য, তাদের জীবনাচারে কোথাও ইসলামী জীবন এর নমুনা পাওয়া যায়নি। পাক সেনাবাহিনীর এ দেশীয় দোসররা গনিমতে’র মাল বলে শুধু সঙ্খ্যালঘুদেরই না মুসলিম মহিলাদের পাক সেনাদের হাতে তুলে দিয়েছে। অথচ এই গনিমতের মাল নিয়ে হাদিসে এবং কোরানে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে- যে কোন বন্দী’র উপর অত্যাচার, ধর্ষন করা যাবে না। যা এই রাজাকার’রা কখনি পালন করেনি। তাহলে কিভাবে তারা ইসলামের অনুসারী হয়? ইসলাম কোনদিনও কোন নারীর উপর অত্যাচার এর অনুমতি দেয়নি।

৫. মওদুদী ইসলাম বৃটিশ রাজ সৃষ্ট ইসলাম, যা মুসলমানদের বিভ্রান্ত করবার জন্য তৈরি। এই উপমহাদেশের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় আলেম-ওলামা’রা অসঙ্খ্যবার মওদূদী’র ফাঁসি দাবী করেছিলেন।

৬. আজকে যে কথা বলা হচ্ছে যে গণজাগরণ ইসলামের বিপক্ষে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। জামাতী’রা বা মওদূদীরা সারাজীবন ইসলামকে ব্যবহার করে এসেছে নিজেদের স্বার্থে এবং মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করবার চেষ্টা করেছে।

৭. গণজাগরণ ইসলামের বিপক্ষে নয় অথবা ইসলামী দলের বিরুদ্ধেও নয়। এ গণজাগরণ মিথ্যা, অন্যায় এবং বাতিলের বিরুদ্ধে।

৮. রাসূল (সাঃ) কে অমান্য কারী মওদূদী ইসলাম নিষিদ্ধ করা হোক, সেটা সবার কাম্য।

৯. নতুন প্রজন্মের শিবির কর্মীদের বলছি আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না, মুষ্টিমেয় লোকের মিথ্যায় বাতিলের পথে হাটবেন না। আপনারা ফিরে আসুন এবং আপনাদের স্লোগান নির্ধারন করুন “মওদূদী ইসলাম-বাতিল ইসলাম, সৎ সত্যবাদী নেতা চাই, জামায়াতে ইসলামীতে আমি নাই, যুদ্ধাপরাধী, রাসূল (সাঃ) নির্দেশ অমান্যকারীদের ফাসিঁ চাই”।

১০. এই আন্দোলন ১১ হাজার চিহ্নিত রাজাকারের বিচারের দাবীতে, শুধু মাত্র কয়েকজন নয়।

Leave a reply